রাজনীতি দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক অভিজিৎ দীপকে সহ অন্যান্যরা!

কক্‌রোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে সহ সৌরভ দাস,আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরে তাঁদের একটি পূর্বনির্ধারিত প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল, যা প্রতিহত করতেই....

কক্‌রোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে সহ সৌরভ দাস,আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরে তাঁদের একটি পূর্বনির্ধারিত প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল, যা প্রতিহত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিমান থেকে নামার আগেই খোদ বিমানের ভেতর প্রবেশ করে তাঁদের আটক করে পুলিশ৷
​চলমান নির্বাচনী ব্যবস্থা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ত্রুটির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়। বিমানবন্দর চত্বর থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা কড়াকড়ি করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বা বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্যই এই প্রতিরোধমূলক আটক অত্যন্ত জরুরি ছিল।

​ ভারতীয় সংবিধানে নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সভা-সমিতি করার এবং মতপ্রকাশের মৌলিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলার অজুহাতে কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরুর আগেই এভাবে বিমান থেকে আটক করা সেই মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী কি না, তা নিয়ে সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন।

 

সমালোচকদের মতে, যেকোনো ভিন্নমত বা সরকারের সমালোচনামূলক স্বর দমনের জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের অতিরিক্ত ব্যবহার দেশের সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।  বিমান থেকে অভিজিৎ দীপকের এই আটক প্রমাণ করে যে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর দমনে প্রশাসন কতটা কঠোর হতে পারে। এটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যকার চিরন্তন সংঘাতকেই ফের দাঁড় করাচ্ছে প্রশ্নের সামনে৷