বছরে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড তিলকের, আর্শদীপের ‘সর্বোচ্চ’ উইকেট

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ (শনিবার) ক্রাইস্টচার্চে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। যেখানে আগে ব্যাট করে স্বাগতিক কিউইরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তুলেছে। বিপরীতে, ফর‌ম্যাটটিতে তিলক ভার্মা....

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ (শনিবার) ক্রাইস্টচার্চে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। যেখানে আগে ব্যাট করে স্বাগতিক কিউইরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তুলেছে। বিপরীতে, ফর‌ম্যাটটিতে তিলক ভার্মা বছরের সর্বোচ্চ ক্যাচ ও ভারতের হয়ে আর্শদীপ সিং সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন।

 

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আর্শদীপের বলে তিলককে ক্যাচ দেন কিউই ওপেনার টিম সেইফার্ট। মাত্র ৭ রান করে ফিরে দলকে বিপদে ফেলেছেন তিনি। ওই ক্যাচ ধরেই ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৬ ক্যাচ ধরেছেন তিলক। অবশ্য সবমিলিয়েই এটি এক বছরের সর্বোচ্চ ক্যাচ। গত বছর ইন্দোনেশিয়ার ড্যানিলসন হায়োই ২৫টি ক্যাচ নেন। ২০২৪ সালে ২৪টি ক্যাচ তালুবন্দি করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম।

 

এদিকে, সেইফার্টকে ফিরিয়ে আর্শদীপ ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টির এক বছরে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েন। সমান ৩৭ উইকেট নিয়েছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার (২০২২ সালে)। তবে তাকে সাক্ষী রেখেই আরেক উইকেট নিয়ে আর্শদীপ টি-টোয়েন্টির এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ৩৮তম উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে বছরের সর্বোচ্চ ২৪ উইকেট নেওয়ারও নজির ছিল বাঁ-হাতি এই পেসারের।

 

তবে সবমিলিয়ে টি-টোয়েন্টির (পূর্ণ সদস্য দেশের হিসাবে) এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়ে এখনও সবার ওপরে আছেন আয়ারল্যান্ডের জশ লিটল, ২০২২ সালে তিনি ৩৯ উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৩৮ উইকেট নিয়েছিলেন, তার সঙ্গে এখন যৌথভাবে রেকর্ড ভাগাভাগি করছেন আর্শদীপ। তবে তার সামনে দুজনকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। চলতি সিরিজের এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি।

 

dhakapost

 

এদিকে, চলমান ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল কিউইরা। পাওয়ার প্লেতেই হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে ১১৬ রানের জুটি গড়েন গ্লেন ফিলিপস ও বেভন জ্যাকবস। শেষ পর্যন্ত ফিলিপস ৪৩ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় ৭০ ও জ্যাকবস ৪৬ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৮ রান করলে নিউজিল্যান্ড ১৮০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায়।